Saturday, 12 September 2026

দত্তপুকুর দৃষ্টি নাট্য সংস্থার উদ্যোগে শিক্ষক দিবস

রাজা দে, থিয়েটার মগজ পত্রিকা, দত্তপুকুর : গত ৬ই সেপ্টেম্বর রবিবার দত্তপুকুর দৃষ্টি নাট্য সংস্থার উদ্যোগে শিক্ষক দিবস পালিত হলো "দৃষ্টি"র নিজস্ব নাট্যচর্চা কেন্দ্র শিল্পশালায়। এবারের এই শিক্ষক দিবসের প্রধান তাৎপর্য হলো সমগ্র অনুষ্ঠান টি আয়োজন ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিল "দৃষ্টি"র কনিষ্ঠ সদস্য বৃন্দেরা, দত্তপুকুর দৃষ্টি তাদের দীর্ঘ দিনের থিয়েটার ও সাংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম কে থিয়েটার চর্চায় যে কতটা আকৃষ্ট করতে পেরেছে এর থেকেই তা প্রমাণিত। 

এদিনের অনুষ্ঠানটি একেবারে ঘরোয়া পরিসরে আয়োজিত হলেও অনুষ্ঠানের বিষয় বস্তু ছিল শিক্ষক দিবস ও ছাত্র- শিক্ষক সম্পর্কের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কে নিয়ে। "দৃষ্টি" র নিজস্ব সদস্য বৃন্দ ও কয়েকজন বিশেষ অতিথি সহ প্রায় ৩০-৩৫ জনকে সাথে নিয়ে একটি মনজ্ঞ আড্ডার আবহে সমগ্র অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত  হয়। উপস্থিত সকলেই এই বিশেষ দিনটিকে নিয়ে তাঁদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি প্রকাশ করেন। আয়োজকদের তরফ থেকে উপস্থিত সকলের জন্যই সম্মাননা ও নৈশভোজের ব্যাবস্থা করা হয়। অনুষ্ঠানের একদম শেষে "দৃষ্টি" র কর্ণধার মাননীয় শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য এই দিনের তাৎপর্য ও আগামীতে তাঁদের থিয়েটার কেন্দ্রিক যে কর্মসূচী সে বিষয়ে বক্তব্যর মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।



Tuesday, 8 September 2026

ইস্ট কলকাতা কালচারাল অর্গানাইজেশন (ইকো)-র একুশতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

রাজা দে, থিয়েটার মগজ পত্রিকা , কলকাতা : গত ২৪শে আগস্ট গান্ধী সেবা সংঘের মানিক্য মঞ্চে সাড়ম্বরে উদযাপিত হল ইস্ট কলকাতা কালচারাল অর্গানাইজেশন (ইকো)-র একুশতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

নির্ধারিত সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছটায় সংগঠনের বর্তমান সম্পাদক শ্রীমতী রঞ্জিতা মুখার্জীর সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা ভাষণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর সংগঠনের শুরুর দিনের স্মৃতিচারণা করেন প্রবীণ সদস্য শ্রী উৎপল ঘোষ ও শ্রী বাসুদেব ঘোষ। একটি সম্পূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠার সেই কঠিন অথচ আবেগঘন দিনগুলোর কথা শুনে উপস্থিত দর্শকমণ্ডলী সহর্ষে ও সানন্দে প্রতিক্রিয়া জানান। শ্রী উৎপল ঘোষের কণ্ঠে রবীন্দ্র কবিতার আবৃত্তি অনুষ্ঠানে এক অনন্য মাত্রা যোগ করে। এরপর মঞ্চ আলোকিত করেন ই-কয়ারের শিল্পীরা। সুরজিৎ মিত্র ও শান্তা ঘোষের সুদক্ষ পরিচালনায় সমবেত কণ্ঠে একের পর এক জনপ্রিয় বাংলা ও হিন্দি গানের পরিবেশনায় মুগ্ধ হন দর্শক-শ্রোতারা।

এরপর আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ইকো-র সকল সদস্য মঞ্চে উপস্থিত হন। পরিবেশিত হয় ইকো-র জন্মদিনের বিশেষ গান, যার রচনা ও সুরারোপ করেছেন শান্তা ঘোষ। দর্শক-শ্রোতারাও কণ্ঠ মেলান সেই গানে। সকলের স্বতঃস্ফূর্ত ও সোৎসাহ অংশগ্রহণে প্রেক্ষাগৃহে তখন উৎসবের আমেজ। মঞ্চের উপরেই কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এরপর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আবৃত্তি পরিবেশন করেন লোপামুদ্রা সরকার। শান্তা নন্দীর পরিবেশিত নৃত্য সকলের প্রশংসা কুড়োয়।

এই সন্ধ্যার অন্তিম আকর্ষণ ছিল ইকো-র নতুন প্রযোজনা - মোহিত চট্টোপাধ্যায় রচিত ও ধনঞ্জয় আঢ্য পরিচালিত নাটক 'অক্টোপাস লিমিটেড'। পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে শিল্পীরা অসাধারণ অভিনয় দক্ষতায় নাটকটি মঞ্চস্থ করেন। মজার দৃশ্যগুলিকে অত্যন্ত কুশলতার সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলেন বিবেকানন্দ ঘোষ, শিবশংকর দাস ও কাশীনাথ কোলে। চরিত্র উপযোগী অভিনয়ে দর্শকদের মন জয় করেন কাকলি রায় ও দীপায়ন সাহা।

সমগ্র অনুষ্ঠানের ভাবনা ও নির্দেশনায় ছিলেন শ্রী ধনঞ্জয় আঢ্য এবং সাবলীল সঞ্চালনায় ছিলেন মধুমিতা মোদক।

Monday, 7 September 2026

রাজা আসে, রাজা যায়—সিংহাসন থেকে যায়

 

রাজা দে, থিয়েটার মগজ পত্রিকা, কলকাতা : দমদমের Act One Studio-তে গত ২৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার মঞ্চস্থ হল বাংলা নাট্য সমাজের একাদশতম প্রযোজনা ‘পুনরাবৃত্তি’। নাট্যকার পার্থসারথি ব্যানার্জীর রচনা এবং প্রসেনজিৎ তলাপাত্রের নির্দেশনায় নির্মিত এই প্রযোজনা মূলত ক্ষমতা, লোভ এবং মানুষের রাজনৈতিক চরিত্রের এক তীক্ষ্ণ অনুসন্ধান। 

‘রাজা আসে, রাজা যায়—সিংহাসনটা একই থেকে যায়’—এই ভাবনাটিই নাটকের কেন্দ্রে। ক্ষমতায় আসার আগে একজন শাসকের মুখে থাকে মানুষের সেবা, পরিবর্তনের স্বপ্ন এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি। কিন্তু ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর সেই মানুষটির ভিতরে থাকা লোভ, সম্পদের আকাঙ্ক্ষা এবং ক্ষমতা ধরে রাখার বাসনা ধীরে ধীরে তাকে গ্রাস করতে শুরু করে। যে মানুষটি একদিন পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সিংহাসনে বসে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সিংহাসনেরই চরিত্র হয়ে ওঠে। বদলে যায় রাজা, কিন্তু বদলায় না ক্ষমতার কাঠামো।

নাটকটির ‘পুনরাবৃত্তি’ তাই শুধু নাম নয়, একটি রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীক। ইতিহাসের পাতা ওলটালেও, শাসক বদলালেও, ক্ষমতার চরিত্র যেন একই থেকে যায়। নতুন রাজা আসে নতুন স্বপ্ন নিয়ে, কিন্তু সিংহাসনে বসার পর পূর্বসূরিরই পথ অনুসরণ করতে শুরু করে। ক্ষমতা যেন ব্যক্তিকে নিজের মতো করে গড়ে নেয়। আর সেই চক্রই বারবার ফিরে আসে।

পার্থসারথি ব্যানার্জীর লেখায় এই বক্তব্য সরাসরি রাজনৈতিক ভাষণের আকারে না এসে নাট্যঘটনা ও চরিত্রের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে। ফলে দর্শকের কাছে প্রশ্নটি আরও তীব্র হয়ে ধরা দেয়—সমস্যা কি কেবল শাসকের, নাকি সেই ক্ষমতার কাঠামোর, যা প্রতিটি নতুন শাসককে একই পথে নিয়ে যায়?

পরিচালক প্রসেনজিৎ তলাপাত্র নাটকের এই রাজনৈতিক ও দার্শনিক বক্তব্যকে মঞ্চে যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেছেন। নাটকের গতি, দৃশ্য বিন্যাস এবং অভিনেতাদের পারস্পরিক সমন্বয়ে একটি সুসংহত মঞ্চভাষা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষমতার উত্থান এবং তার সঙ্গে মানুষের মানসিক পরিবর্তনকে অভিনয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে নির্দেশনার সচেতনতা স্পষ্ট।

অভিনয়েও প্রযোজনাটি যথেষ্ট শক্তিশালী। দক্ষ ও আন্তরিক অভিনয় নাটকের বক্তব্যকে দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। চরিত্রগুলির দ্বন্দ্ব, লোভ, ক্ষমতার মোহ এবং পরিবর্তনের মুহূর্তগুলি অভিনেতারা যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন। ফলে নাটকের রাজনৈতিক বক্তব্য কেবল সংলাপে সীমাবদ্ধ থাকেনি, চরিত্রের আচরণ এবং অভিনয়ের মধ্য দিয়েও তা প্রকাশ পেয়েছে।

‘পুনরাবৃত্তি’র সবচেয়ে বড় সাফল্য সম্ভবত এখানেই—নাটকটি কোনও নির্দিষ্ট রাজা বা নির্দিষ্ট সময়ের গল্প হয়ে আটকে থাকে না। বরং ক্ষমতার চরিত্র নিয়ে একটি সার্বজনীন প্রশ্ন তুলে ধরে। কে সিংহাসনে বসছে, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে ওঠে—সিংহাসনে বসার পর সে কতটা নিজেকে ধরে রাখতে পারছে?

রাজা বদলায়, মুখ বদলায়, প্রতিশ্রুতি বদলায়; কিন্তু সিংহাসন থেকে যায়। আর সেই সিংহাসনের লোভ, সম্পদ ও ক্ষমতা শেষ পর্যন্ত নতুন রাজাকেও পুরনো রাজার মতো করে তোলে। এই চক্রের মধ্যেই ‘পুনরাবৃত্তি’র মূল বক্তব্য—এবং সমকালীন সমাজ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে সেই বক্তব্য যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক ও ভাবনাজাগানিয়া।

বাংলা নাট্য সমাজের একাদশতম প্রযোজনা হিসেবে ‘পুনরাবৃত্তি’ তাই শুধু একটি নাট্যপ্রদর্শন নয়; ক্ষমতার স্বরূপ নিয়ে দর্শককে অস্বস্তিকর অথচ জরুরি কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করানোর একটি সফল প্রচেষ্টা।

পাড়ায় পাড়ায় নাট্য উৎসবে হাওড়া থিয়েটার উইংস

 


নিজস্ব সংবাদদাতা, থিয়েটার মগজ পত্রিকা : ২০২৫শের ১৫-ই মার্চ রামরাজাতলা রিলায়েন্স ক্লাব প্রাঙ্গণে অণুনাটকের মাধ্যমে এই নাট্য উৎসবের সূচনা হয়। বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব, নাট্যকার, অভিনেতা , পরিচালক সৌমিত্র বসু ও পশ্চিম বঙ্গ অণুনাটক বিকাশ মঞ্চের যুগ্ম সম্পাদক শ্রী মৃনাল দে ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শুভাশিস বসু'র দ্বারা প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে এবং  বক্তব্যের মাধ্যমে নাট্য উৎসবটির শুভারম্ভ হয়। ঐবছরে মোট  ৬০টি নাট্যদল, ৬০ টি অণুনাটক এবং ছোটো নাটক ১০টি ক্লাবের আন্তরিক সহযোগিতায় তাঁদের দূর্গা মন্ডপে, নাটমন্দিরে, ক্লাব প্রাঙ্গণে, ক্লাবঘরে অনুষ্ঠিত হয়। যার সমাপ্তি  অনুষ্ঠান এবং এবছরের -'পাড়ায় পাড়ায় নাট্য উৎসব 'র(২০২৬-২৭ ) নাট্য উৎসবের শুভ সূচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হল - ৪-৪-২০২৬ তারিখে হাওড়া ভোলাগিরি কলা মন্দির মঞ্চে। ড: অপূর্ব দে, ড: তরুন প্রধান ও মৃণাল দে'র দ্বারা প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও বক্তব্যের মাধ্যমে- "পাড়ায় পাড়ায় ১০০  নাটক " । এ দিন ৪টি নাট্য দলের ৪ টি নাটকের মঞ্চায়ন হয়। 'হাওড়া থিয়েটার উইংস' নাট্য দলের কর্নধার ও পরিচালক বিপ্লব সরকার জানান- এ বছরও  ১০০ টি নাট্য দলকে তাঁদের নাটক মঞ্চস্থ করার জন্য 'পাড়ায় পাড়ায় অণুনাটক ও ছোটো নাটকের উৎসবে' আমন্ত্রণ জানানো হবে। নাটকের প্রচার,প্রসার ও দর্শক বৃদ্ধির পন্থা হিসাবে নাটক নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া এক অভিনব মহতী উদ্যোগ।আজকের সময়ে  দাঁড়িয়ে এই কঠিন কাজের গুরু দায়িত্ব হাওড়া থিয়েটার উইংস নিজের কাধে তুলে নিয়েছে।প্রসংশিত উদ্যোগ, থিয়েটার পৌঁছে যাচ্ছে এখন মানুষের কাছে। 'হাওড়া থিয়েটার উইংসে'র প্রত্যেক নাট্যবন্ধুদের জানাই সংগ্রামী অভিনন্দন।

তিনটি নাট্য দলের যৌথ আয়োজন নাট্য বন্ধু উৎসব


রাজা দে, থিয়েটার মগজ পত্রিকা, গোবরডাঙা  : গত ২৩ শে আগস্ট রবিবার গোবরডাঙ্গা শিল্পায়ন ষ্টুডিও থিয়েটার হলে পশ্চিমবঙ্গের তিনটি নাট্য দল (খড়দহ থিয়েটার জোন,বাংলার সিঞ্চন ও আড়িয়াদহ নাট্যপীঠ) যৌথ ভাবে আয়োজন করে নাট্য বন্ধু উৎসবের।অনুষ্ঠান শুরু হয় গুনীজন সম্বর্ধনার মধ্য দিয়ে।সম্বর্ধনা জানানো হয় শ্রীমতী শাশ্বতী নাথ (সভানেত্রী-সংস্কার ভারতী,দক্ষিণ প্রান্ত) ও আশিস চট্টোপাধ্যায় (নাট্য নির্দেশক) কে।

উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন সংস্কার ভারতী উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সঙ্গীত গোষ্ঠীর শিল্পীরা। এরপর আয়োজক তিনটি নাট্য দলের তিনটি নাটক অভিনীত হয়।প্রথমটি ছিল হার্ট (রচনা মলয় সেনগুপ্ত, নির্দেশনায় - যোগরাজ চৌধুরী , উপস্থাপনায়: বাংলার সিঞ্চন)।দ্বিতীয়টি ছিল খড়দহ থিয়েটার জোনের নাটক লেখক সব্যসাচী দেবের কবিতা অবলম্বনে কৃষ্ণা  (নাট্যরূপ  ও পরিচালক - তপন দাস) এবং সবশেষে অভিনীত হয় কি খবর বল? (নাট্ককার : অর্ণব দাস , নির্দেশনা-অসীম ভট্টাচার্য , প্রযোজনা-আড়িয়াদহ নাট্যপীঠ)।উপস্থিত দর্শক মন্ডলীর মন জয় করে নেয় তিনটি নাটক।অনুষ্ঠানে দর্শক আসন প্রথম থেকেই ছিল পরিপূর্ণ।আগামী দিনেও এই ধরনের আয়োজন করতে চান আয়োজকরা।

দত্তপুকুর দৃষ্টি নাট্য সংস্থার উদ্যোগে শিক্ষক দিবস

রাজা দে, থিয়েটার মগজ পত্রিকা, দত্তপুকুর : গত ৬ই সেপ্টেম্বর রবিবার দত্তপুকুর দৃষ্টি নাট্য সংস্থার উদ্যোগে শিক্ষক দিবস পালিত হলো "দৃষ্টি...